উনি মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বজন শ্রদ্ধেয় কমরেড বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কে জড়িয়ে মিথ্যাচার করলেন তাই তার পালটা ওনার কয়েকটা পুরনো ক্লিপিংস রইল!
যদিও সেই পুরনো ওনার সাথে বিজেপির কোন সম্পর্ক নেই। এসব বলা মোটেই বিজেপির সংস্কৃতিও না।
আর সবথেকে বড় কথা উনি তখনও বিজেপির আদর্শে ‘দুঃখিত’ … ‘সরি’ … দীক্ষিত হন নি।
রাজনৈতিক বহুরূপী: দ্য ‘নাবালক’ এর কাকু !
ডিয়ার ভক্তস, এগুলো একটাও ভুক্তভোগী আম জনতা বা সেকু-মাকুদের অথবা বাংলাদেশী- রোহিঙ্গাদের বলা কথা নয়!
এগুলো হলো SIR নিয়ে শুনানি চলাকালীন দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতিদের করা মন্তব্য।
এর থেকেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে SIR প্রক্রিয়ায় এই সমস্ত নিত্যনতুন পরিবর্তন ও জটিলতা তৈরি করে দেশের মানুষ যাতে বেশি সংখ্যায় ভোটের দিন বুথ মুখী না হয় বা ভোট দিতে না পারে, আম জনতার যাতে গোটা নির্বাচন বা ভোট দান প্রক্রিয়া নিয়ে একটা সার্বিক অনীহা তৈরি হয়, সেটাই ঘুরিয়ে নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করতে চাইছিল!
কাজেই এটা আদৌ মামুলি ভোট চুরির কেস নয়!
এটাকে বলে ভোটাধিকার চুরি।
দেশের গণতন্ত্রকে ঘুরিয়ে গলা টিপে হত্যা করার অপচেষ্টা!
পিরিয়ড!
‘ঢপবাজি’ কম করো পিও!
কেন বলছি তারজন্য নিচের ভিডিও দুটিই যথেষ্ট।
কার মাও যোগ ছিল আর কে অসাম্প্রদায়িক ছিলেন ভিডিও দুটো দেখলেই স্পষ্ট হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসলেই কি মিথ্যাচার করতে হয় ?
স্বয়ং ভারতের নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দাখিল করে যা জানিয়েছে তার মানে করলে যা দাঁড়াচ্ছে তা হলো আমাদের রাজ্যের মহামান্য নির্বাচন কমিশন নিজে সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের বিবেচনায় যোগ্য হিসেবে গণ্য কমবেশি এমন ৩২ লক্ষ জেনুইন ভোটারদের মধ্যে ১৬ লক্ষের নাম বাদ দেওয়ার জন্যে ফের আবেদন করেছিল - অর্থ্যাৎ জুডিশিয়াল অফিসারদের বিবেচনায় যোগ্য হিসেবে ঘোষিত এমন ভোটারদের ৫০% এর নাম বাদ দেওয়ার জন্যে আবেদন করেছিল !
যদিও সেই আবেদন করবার জন্যে প্রয়োজনীয় অনুমতি আদৌ নেওয়া হয়েছিল কিনা বা পদ্ধতি মানা হয়েছিল কি না তা এখনও স্পষ্ট না।
এটুকুই জানানোর ছিল !
পুনশ্চ: এছাড়াও যে ২৮ লক্ষ ভোটারদের নাম জুডিশিয়াল অফিসাররা বাদ দিয়ে দিয়েছিলেন তাদের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে এখনও অবধি সম্ভবত ৯০% রায় ভোটারদের পক্ষে গেছে।
এই সবটা জেনে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমাদের রাজ্যের এসআইআর চলাকালীন নির্বাচন কমিশন ঠিক কতটা নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছিল !
রাষ্ট্রের স্বার্থে যারা নিজেদের দলে চোর, চিটিংবাজ, তোলাবাজ ইত্যাদি ভেজাল লুম্পেন ঢুকিয়ে দলকে লাটে তুলে দিতে পারে তাদের থেকে বড় জাতীয়তাবাদী আর কে আছে ?
যারা সেই জাতীয়তাবাদী-রাষ্ট্রবাদী নেতাদের দিকে ডিম ছুঁড়ছে তারা আব্দুল চাচার আত্মীয়, লুঙ্গিবাদী-দেশদ্রোহী!
ঠিক বলছি কি না !!!
আমরা নামছি। তরতর করে নামছি। দিব্বি একটা এনকাউন্টার সর্বস্ব খাপ শাসন ব্যবস্থাতে কেমন অভ্যস্ত হয়ে উঠছি দেখুন শুধু!
আজ একই দিনে দু-দুটো এনকাউন্টার। প্রথমটা গাইঘাটা কান্ডে। দ্বিতীয়টা মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে।
চারিদিকে হর্ষধ্বনি। করতালি। এত করতালি পুলিশরা শেষ কবে কুড়িয়েছে ওনারাও মনে করতে পারবেন না। অথচ কাজটা সম্পুর্ণ আইন বহির্ভূত।
তাহলে কারা দিচ্ছে হাততালি ?
সেটা বুঝতে হলে জানতে হবে গতকালকের বেহালার সরশুনার ঘটনাটা। বাড়ির মেয়ের সাথে প্রেম করছে এই অপরাধে প্রেমিক, প্রেমিকের বন্ধু ও প্রেমিকের পরিবারকে প্রকাশ্য রাস্তায় নগ্ন করে ঘোরালো মেয়ের বাড়ির লোকজন।
এখন খবরটা প্রকাশ্যে আসতেই ঢি ঢি পড়ে গেল চারিদিকে। কাগজে কাগজে প্রথম পাতায় ছিছিক্কার! কলকাতা নাকি আর কালচারাল ক্যাপিটাল রইলো না। চারিদিকে হতাশা আর আক্ষেপ।
কাগজ পড়ে জানলাম ‘ফ্যাশন ডিজাইনার’ মন্ত্রী মহোদয়া খবরটা জানতে পেরে নাকি শকড!
কিন্তু ঘটনাটা এখানেই শেষ হলো না।
এবার জানা গেল ঐ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া মেয়েটির বাবা, দাদা ও মামাকে আজ দিবালোকে ঐ সরশুনার প্রকাশ্য রাস্তাতেই ঘটনার পুননির্মানের অজুহাতে খালি গায়ে কোমরে দড়ি পরিয়ে খালি পায়ে প্যারেড করিয়েছে পুলিশ। তাদের ভাবখানা হলো ‘কেমন দিলাম’ টাইপ। যেমন কর্ম তেমন ফল। টিট ফর ট্যাট।
লোকজনও দেখলাম হেব্বি খুশি। মোবাইল খুলে ভিডিও করছে।
আমি কিছুটা হতবাকই। আচ্ছা, আজকের দ্বিতীয় ঘটনাটা ঘুরিয়ে গতকালকের প্রথম ঘটনাটাকে পুলিশি সিলমোহর দিয়ে দিল না কি ? ভাবুন একবার।
মানে আজকের ঘটনার মধ্যে দিয়ে কোথাও কোন অভিযুক্ত ধরা পড়লে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগে জনসমক্ষে মারধর-অপদস্থ করে পাড়ায় ঘুরিয়ে তার লজ্জা শরম সবটুকু গণ আদালতে লুটে নেওয়ার ‘খাপ’ বন্দোব্যস্তটাই সরকারি পুলিশি বৈধতা পেয়ে গেল নাকি ? এটাই তো আদালত বহির্ভূত ভিড়ের শাসন!
ফ্যাশন ডিজাইনার মন্ত্রী মহোদয়া তাঁর সরকারের পুলিশের এহেন কাজে এবারও আদৌ শকড হলেন কি ? নাকি তিনিও ভিড়ের সাথেই ‘টিট ফর ট্যাট’ তত্ত্বে তাল ঠুকছেন ?
আমাদের সবার মনে রাখা জরুরি এই ‘ভিড়ের শাসন’ই চুম্বনের অপরাধে প্রাপ্ত বয়স্ক নারীপুরুষের শিরচ্ছেদ করে।
এরাই বারুইপুর, গাইঘাটা বা মুর্শিদাবাদে ‘এনকাউন্টার’ এ ট্রিগার টানে। এরাই বুলডোজার চালায় ।
ভুললে চলবে না এই ভিড়ই একদা যীশুকে ক্রশে ঝুলিয়েছিল। গ্যালিলিওকে জেলে ঢুকিয়েছিল।
আর এই ভিড়টাকে খুশি করতেই নেতা মন্ত্রী বিধায়কদেরও এনকাউন্টারের মতো একটা আপাদমস্তক বেআইনি কাজের প্রতি পূর্ণ সমর্থন দিতে হয়। ভিড়ের শাসনকে মাথায় তুলে নাচতে হয়।তাপস রায়, অশোক কীর্তনিয়া, দিলীপ ঘোষ বা রত্না দেবনাথরাও সেটাই করছেন। কারণ ভিড় ছাড়া ভোট জেতা যায় না।
যাইহোক, ট্রিগার হ্যাপি, এনকাউন্টার প্রেমী, বুলডোজার লাভার ‘খাপ’ শাসন ব্যবস্থায় আপনাকে স্বাগত।
জ্যায় শ্রী....
বন্দে ....
মাঝেমধ্যে এরকম দু একটা ‘এনকাউন্টার’ না হলে উঁচুতলাতে লক্ষ্মীপূজোয় নাড়ু খাওয়া খাওয়ি, ক্যাফে তে পা ছোঁয়া-ছুঁই, সন্দীপ ঘোষের জামিন, বুকস্টল ভাঙতে বুলডোজার পাঠানো, রাস্তা রং করে এক্সিডেন্ট ঘটানো, চোরবাগান দুর্ঘটনার প্রশাসনিক গাফিলতি ও ফলস্বরূপ মা দুর্গার নিমতলা ঘাটে বিসর্জন দেওয়ানো বা নেতাজির অপমান, রবি ঠাকুরকে কটাক্ষ, নজরুলকে বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়া বা সুকান্তের ছবি আঁকা পতাকা পোড়ানো ইত্যাদি ‘তথাকথিত’ রাষ্টবাদী কাম জাতীয়তাবাদী কাজকর্মের স্বপক্ষে জনপরিসরে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিড় জোটানো মুশকিল হয়!
কাজেই এই ‘এনকাউন্টার’ গুলো কিসের কুসুম বোঝা যাচ্ছে কি?
হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন, এই এনকাউন্টার গুলো হলো আসলে সেই ভিড়ের কুসুম, যে ভিড় আমাকে আপনাকে রাষ্ট্রের কথা ভেবে জাতীয় স্বার্থে কেন ‘সেটিং’ দরকার সেটা বোঝাতে নেমে পড়ে!
চারিদিকে ঠিক তখনই জুঁই ফুলের সুবাস মম করে!
পিরিয়ড !
‘পাল্টানো দরকার …’ গানের তালে নাচতে নাচতে যারা ভোট দিয়েছিলেন তাদেরকে জানাই এখনও অবধি তেমন কিছুই পাল্টায় নি!
আদৌ কিছু পাল্টাবে কি না তাও প্রশ্ন চিহ্নের মুখে!
আপাতত উঁচুতলায় জুঁই ফুলের সুবাস নিতে নিতে নাড়ু খাওয়া-খাওয়ি চলছে! আর নিচুতলাতে চলছে আগেকার মতোই বালি-মাটি চুরি, তোলাবাজি.. প্রভৃতি!
আর এদিকে তথাকথিত জাতীয়তাবাদী-রাষ্ট্রবাদী সরকার তৃণমূল আমলের ‘অম্বিকেশ মহাপাত্র’ কেসের মতোই সমাজমাধ্যমে কেউ সরকার বিরোধী পোস্ট করলেই পুলিশকে দিয়ে গ্রেপ্তার করাচ্ছে !
“তুমি সরকারের জমি দখল করবে কেন ?”
হকার উচ্ছেদের সময় আমার কমেন্ট বক্সে এই যুক্তিটিকে ঢাল বানিয়ে এঁড়ে তর্ক করা ভক্তরা যাতে ‘নাবালক’ ভাইপোর ‘জুঁইফুল’ কাকাকে এই খবরটা ট্যাগ করে সঙ্ঘের অফিস ভাঙতে ফের অকুস্থলে বুলডোজার পাঠানোর দাবি জানাতে পারে তারজন্য এই পোস্ট !
প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি সরকারি জমি দখল করে দপ্তর বানানো সঙ্ঘের সাথে বিজেপির কোন সম্পর্ক নেই। সরকারি জমি দখল করাটা মোটেই বিজেপির সংস্কৃতি নয়।
সো ভক্তস! কাকাকে ট্যাগ করা শুরু করে দাও ! বুলডোজার আনাও!
ব্রাজিলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে আমেরিকার অযাচিত হস্তক্ষেপ, মাতব্বরি এবং যাবতীয় কলকাঠি নাড়ার পরেও মুখ পুড়লো ট্রাম্পের।
ব্রাজিল রইল বাম পথে !
অন্নপূর্ণা ভান্ডার ব্যবস্থাটা আগেই লাটে উঠে গেছে! ঠিক কজন এই স্কিমে নিয়মিত টাকা পাচ্ছেন আর কেন এত বিপুল সংখ্যায় নিম্নবিত্ত পরিবারের মহিলাদের নাম প্রাপকের তালিকা থেকে বাদ গেলো তার কোন সদুত্তর সরকার বাহাদুর আজও দিতে পারেন নি।
আর এসবের মধ্যেই এবার জানা গেল আমাদের রাজ্যে ১০০ দিনের কাজের দুরবস্থার কথা… এই স্কিমে কাজ পাওয়ার নিরিখে সারা দেশের মধ্যে আমরা একদম লাস্ট বয়!
মানে যে মধ্য ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো বিগত বিধানসভা নির্বাচনে ঢেলে ভোট দিয়েছিল বিজেপিকে সেই তাদেরই সবার আগে পকেট কাটা গেল।
যাকে বলে একদম ‘ডবল ইঞ্জিন’ স্পিডে গরিবের ভাত মারা হচ্ছে!
শুনলাম মশা নাকি ডেঙ্গু -ম্যালেরিয়া রোগ নিরাময়ের কৃতিত্ব দাবি করেছে!
ভিডিও ক্লিপিংস টা শুনলেই বুঝতে পারবেন।
পেইড নিউজ প্যাডেল করতেও একটা ন্যুনতম কোর্ডিনেশন দরকার।
সেটাও বঙ্গ বিজেপির নেই।
তাই লক্ষ লক্ষ টাকা থেকে ২ কোটি বা ৩ কোটি … যে যেমন খুশি বই বিক্রি হয়েছে বলে দাবি করছে!
কিন্তু আমাদের বুঝতে হবে হঠাৎ এই পেইড নিউজের দরকার পড়ল কেন ?
আসলে বিজেপি এখন সিপিআই(এম) র বুক স্টল গুলোতে নিজেদের বিপথগামী লুম্পেন বাহিনী দিয়ে আক্রমণ করিয়ে, যাদবপুরের বুক স্টল তুলে দিতে পুলিশ ও বুলডোজার পাঠিয়ে হাত কামড়াচ্ছে।
কারণ এতে রাজ্য জুড়ে সিপিআই(এম)র বুক স্টল গুলোকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ ও বই বিক্রি দুইই বেড়েছে হু হু করে!
তাই এখন এইসব পেইড নিউজ বাজারে ছেড়ে ম্যানেজ দেওয়ার চেষ্টা চলছে!
শেষমেশ হয়তো বিজেপির ‘বিবেক’ বলে বসবেন এইসব পেইড নিউজের আজগুবি দাবির সাথে বিজেপির কোন সম্পর্ক নেই!
অপেক্ষায় আছি!
প্রসঙ্গ সিপিআই(এম) এর বুকস্টল ভাঙা !
“গোটা পুজো জুড়ে সারা বাংলার মানুষ দেখে নিয়েছে, যারা চাকরি বিক্রি করেছিল, তারা আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বন্ধু আর যারা বই বিক্রি করে তারা শুভেন্দু অধিকারীর শত্রু।”
- শতরূপ ঘোষ, সিপিআই(এম)
প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি একা সিপিআই(এম) এবারের পুজোয় পাঁচদিনে শুভেন্দু অধিকারীর যাবতীয় হম্বিতম্বি-ফতোয়াকে উড়িয়ে দিয়ে এবং বিজেপি আশ্রিত গুন্ডাবাহিনীর হামলা-হুমকি ও প্রশাসনিক বাধা প্রতিহত করে ১ কোটি টাকার বেশি বই বিক্রি করেছে যেটা একটা রেকর্ড।
বার্তা স্পষ্ট ! শুভেন্দু বাহিনীর নাকের ডগায় সিপিআই(এম) যা করার করে দিয়েছে!
বিজেপি -আরএসএস ইকোসিস্টেমের মুখে ভালো করে চুনকালি লেপে দিয়েছে।
পিরিয়ড!
চোরবাগান সার্বজনীন মণ্ডপে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনাতে মাইকে ‘প্যান্ডেল ভেঙে যাচ্ছে, সবাই তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসুন’ টাইপের ঘোষণাটি করেন রাজীব রাহা ওরফে সেন্টু এবং কুশল মজুমদার ওরফে কালিয়া।
দুজনকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
কাজেই বিজেপির আইটি সেলের একাংশের তরফে কোচবিহারের আইনুল হক কে সেই ঘোষক হিসাবে দাগিয়ে দিয়ে ‘শুক্রবারী’, বাংলাদেশী ষড়যন্ত্র ইত্যাদির ফোড়ন দিয়ে যে মশলাদার সাম্প্রদায়িক গুজব বা প্রোপাগান্ডা বাজারে ছাড়া হয়েছিল সেটারও এই দুই গ্রেপ্তারির সাথেই ‘ইতি’ ঘটলো।
এখন আইনুল হক কেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ঐ পদপিষ্টের ঘটনাতে মৃতের সংখ্যা বাড়িয়ে চড়িয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করার জন্যে। আপাত দৃষ্টিতে বা তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যাক সঠিক পদক্ষেপ!
তাহলে আইনুল হক কে সমাজমাধ্যমে যারা ঘোষক হিসেবে দাগিয়ে দিয়ে গোটা ঘটনায় সাম্প্রদায়িক রং লাগানোর চেষ্টা করলেন, সেই বিজেপির আইটি সেলের ভাইটিদের পুলিশ গ্রেপ্তার করলো না কেন ?
সরকার বাহাদুর জবাব দিন!












