গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর সমর্থনে আজ মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগরের উপনির্বাচনে প্রচারের কিছু মুহূর্ত।
গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর সমর্থনে মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচনের প্রচারে
আজ মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগরে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে উপনির্বাচনের প্রচারের কয়েকটি মুহূর্ত।
Sudip Raha retweeted
We, the Democratic Trinamool Congress have lodged a complaint against Milan Pradhan, who has three murder cases pending against him. During elections it’s mandatory to execute the warrant.The State Cong Leadership probably has not intimated the actual details to Sri @RahulGandhi
नंदीग्राम उपचुनाव के लिए कांग्रेस उम्मीदवार मिलन प्रधान की गिरफ्तारी कोई संयोग नहीं, राजनीतिक प्रतिशोध है - लोकतंत्र की हत्या है।
BJP का निष्पक्ष चुनाव में भरोसा ही नहीं - इसलिए कभी वोट चोरी, कभी सरकार चोरी और कभी पार्टी चोरी से सत्ता बचाना चाहती है।
वो चुनाव नहीं लड़ना चाहते, चुनावी मुकाबला ही खत्म कर देना चाहते हैं।
कांग्रेस न डरेगी, न झुकेगी।
हम लड़ेंगे भी, जीतेंगे भी।
রাত ১টা ৫০। ২৮শে'র আবেগ। কোনো এজেন্সি কিংবা ৫৮, ৬৮ নয়; পতাকা লাগাচ্ছে ২৮। পতাকা লাগাচ্ছে ২১, ২৬, ৩০। পতাকা লাগাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা।
শ্রদ্ধেয় আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের চলে যাওয়া মর্মান্তিক। হৃদয় বিদারক। ওনার স্নেহ-শুভেচ্ছা পেয়েছি। কখনও পরামর্শ দিয়েছেন।এমন সুশিক্ষিত মার্জিত ভদ্র রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বিরল। শুধু অভিভাবক হারানোর বেদনা নয়, একজন স্বচ্ছ-সৎ মানুষকে হারানোর যন্ত্রণা আমাদের বয়ে বেড়াতে হবে। এমন একজন মানুষের এরকম পরিণতি কেন! মন ভারাক্রান্ত। এমন মৃত্যু মিথ্যে হোক!
হায় রে মহারাজ! ওটাকে ক্ষমা চাওয়া বলে? ক্ষমা প্রার্থনাটাও ঐ লোকটাকে দেখে দেখে পড়তে হচ্ছে! উনি রাজ্যসভায়? উনি 'বঙ্গবিভূষণ'? ঐ ফাঁকা কলসীটি রাজনৈতিক আবর্জনা বললেও কম বলা হয়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী @SuvenduWB ওনার 'বিভূষণ' কেড়ে নিয়ে ঠিক করেছেন। এবার রাজ্যসভার সদস্যপদটাও কেড়ে নেওয়া হোক। রাজনীতিরও আগে দেশ। আর দেশ মানে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু।
রাজ্যসভায় এমন সাংসদ থাকা উচিত নয় যিনি নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ইতিহাস জানেন না, বা জেনেও তাঁকে নিয়ে বিকৃত কুৎসিত মন্তব্য করেন। যতদিন দেশ থাকবে, ততদিন নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর নাম থাকবে। মূর্খের আস্ফালনে ধ্রুবসত্য বদলে যায় না।
যিনি নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুকে কদর্যভাষায় আক্রমণ করে চলেছেন, তাঁকে এই বছরের ফেব্রুয়ারী মাসেই 'বঙ্গবিভূষণ' সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছিল। তার আগে মিষ্টির হাঁড়ি, উত্তরীয়, উপহার নিয়ে ওই ব্যক্তির বাড়িতে উপস্থিতি। মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল, তবে কি 'মহারাজ' তৃণমূলে? তখন সে কি উপভোগ্য চিত্রনাট্য! সর্বত্র সর্বস্তরে সস্তার রাজনীতি করতে গিয়েই তো আজ এই অবস্থা। খারাপ লাগে। লজ্জিত হতে হয়।
নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু ভারতবর্ষের সেই উজ্জ্বল দীপশিখা, যা হাজার ঝড়েও নিভবে না।
#NetajiShubhasChandraBose






































